← সব নিবন্ধে ফিরে যান
আইন ও নিবন্ধন১০ মিনিট পড়া

কিন্ডারগার্টেন নিবন্ধন ২০২৬: পাঠদান অনুমতি থেকে রেজিস্ট্রেশন

কিন্ডারগার্টেন খুলতে বা চালু রাখতে এখন পাঠদান অনুমতি ও নিবন্ধন—দুটোই লাগে। বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা ২০২৩ ও ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ফি, শর্ত ও কাগজপত্রের পূর্ণ গাইড।

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর, ২০২৬

কিন্ডারগার্টেন নিবন্ধন: সংক্ষেপে কী করতে হবে?

কিন্ডারগার্টেন নিবন্ধন এখন দুই ধাপের প্রক্রিয়া: প্রথমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছ থেকে এক বছরের “পাঠদান অনুমতি”, তারপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালকের কাছ থেকে পাঁচ বছরের “নিবন্ধন সনদ”। নিয়মগুলো এসেছে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা, ২০২৩ থেকে, যা ১১ নভেম্বর ২০২৩ গেজেটে প্রকাশিত হয় এবং ২০২৫ সালের মার্চে সংশোধিত হয়।

এই বিধিমালায় নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন, কেজি ও প্রিপারেটরি স্কুলকে “বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়” হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০১১ সালের বেসরকারি প্রাথমিক (বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম) বিদ্যালয় নিবন্ধন বিধিমালা রহিত হয়েছে, তবে পুরোনো বিধিমালায় দেওয়া অনুমতি বা নিবন্ধন সনদ বৈধ বলেই গণ্য হবে।

নিচে ধাপগুলো, ফি, জমি-ভবনের শর্ত আর কাগজপত্রের তালিকা গুছিয়ে দেওয়া হলো। ফি ও শর্ত পরিবর্তন হতে পারে, তাই আবেদনের আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (dpe.gov.bd) বা আপনার উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সর্বশেষ গেজেট মিলিয়ে নিন।

কোন কোন স্কুল এই বিধিমালার আওতায় পড়ে?

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়া পঞ্চম শ্রেণি বা গ্রেড-৫ পর্যন্ত পাঠদানকারী নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন, প্রিপারেটরি স্কুল, ইংলিশ ভার্সন স্কুল এবং নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত প্রাথমিক শাখা—সবাই এর আওতায়। তবে বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত ইংরেজি মাধ্যম স্কুল এই বিধিমালার বাইরে।

নতুন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত, তা সম্ভব না হলে অন্তত তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করে পাঠদান শুরু করতে হবে। যাঁরা শুধু প্লে-গ্রুপ, নার্সারি ও কেজি নিয়ে প্রি-স্কুল চালান, তাঁদের ক্ষেত্রে বিধিমালাটি কীভাবে প্রয়োগ হবে তা স্পষ্ট নয়; এ বিষয়ে উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে লিখিত মতামত নিয়ে রাখা ভালো।

উচ্চ বিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রাথমিক শাখা থাকলে প্রাথমিক অংশের জন্য আলাদা ব্যবস্থাপনা কমিটি রাখতে হবে। আর পাঠ্যতালিকায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) অনুমোদিত বই রাখা এবং এনসিটিবি প্রণীত বা সরকার নির্ধারিত শিক্ষাক্রম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

ধাপ ১: পাঠদান অনুমতির আবেদন কীভাবে করবেন?

নির্ধারিত ফি ট্রেজারি চালানে জমা দিয়ে ফরম “ক” পূরণ করে উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে আবেদন করতে হয়। উপজেলা/থানা অফিসার কাগজপত্র যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শন করে মতামত পাঠান, এরপর জেলা অফিসারও প্রস্তাবিত বিদ্যালয় সরেজমিন দেখেন।

সব শর্ত পূরণ হলে আবেদন পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফরম “খ” অনুযায়ী পাঠদান অনুমতি সনদ দেওয়ার কথা; সন্তুষ্ট না হলে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়। অনুমতি দেওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত শর্তও জুড়ে দিতে পারে, যার অগ্রগতি পরে নিবন্ধনের আবেদনে দেখাতে হয়। অনুমতির মেয়াদ সনদ দেওয়ার তারিখ থেকে ১ বছর।

চালান জমার সময় সঠিক কোড নম্বর ব্যবহার করুন; কয়েকটি বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে বিধিমালার সঙ্গে ট্রেজারি কোডের তালিকাও দেওয়া আছে। এলাকাভেদে পাঠদান অনুমতির আবেদন ফি:

  • মেট্রোপলিটন সিটি ও অন্যান্য বিভাগীয় শহর: ৫,০০০ টাকা
  • জেলা সদর: ৩,০০০ টাকা
  • উপজেলা সদরসহ অন্যান্য এলাকা: ২,০০০ টাকা

ধাপ ২: নিবন্ধন ও নবায়নের নিয়ম কী?

পাঠদান অনুমতির এক বছর শেষ হওয়ার অন্তত ৩০ দিন আগে ফরম “গ”-তে নিবন্ধনের আবেদন করতে হয়, উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে। এই সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে পাঠদান অনুমতিই বাতিল হয়ে যায়—এটাই সবচেয়ে বড় ফাঁদ, তাই তারিখটি এখনই ক্যালেন্ডারে লিখে রাখুন।

উপজেলা/থানা অফিসার ৩০ দিনের মধ্যে সরেজমিন যাচাই করে মূল্যায়ন প্রতিবেদন পাঠান, জেলা অফিসার পরের ৩০ দিনের মধ্যে সুপারিশ করেন, আর নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ—প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক—শর্ত পূরণ হলে ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধন সনদ দেন। নিবন্ধনের সময় শিক্ষার্থী ভর্তি, উপস্থিতি ও প্রাথমিক শিক্ষাচক্র সমাপনের হারও বিবেচনা করা হয়।

নিবন্ধনের মেয়াদ ৫ বছর। নবায়নের জন্য নিবন্ধন ফির ৫০ শতাংশ জমা দিয়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ৬০ দিন আগে ফরম “চ”-তে আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে বা নিবন্ধন বাতিল-স্থগিত হলে আবার আবেদন করা যায়, তবে সেটি নতুন আবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়।

এলাকাভেদে নিবন্ধনের আবেদন ফি:

  • মেট্রোপলিটন সিটি ও অন্যান্য বিভাগীয় শহর: ১৫,০০০ টাকা
  • জেলা সদর: ১০,০০০ টাকা
  • উপজেলা সদরসহ অন্যান্য এলাকা: ৮,০০০ টাকা

জমি ও ভবনের শর্ত: ২০২৫ সালের সংশোধনীতে কী বদলেছে?

২০২৩ সালের মূল বিধিমালায় নিজস্ব বা ভাড়া করা জমির শর্ত ছিল মেট্রোপলিটন এলাকায় অন্তত ০.০৮ একর (৮ শতাংশ), পৌরসভায় ০.১২ একর (১২ শতাংশ) এবং অন্যান্য এলাকায় ০.৩০ একর (৩০ শতাংশ)। শহরের ভাড়া বাড়িতে চলা অধিকাংশ কিন্ডারগার্টেনের পক্ষে এই শর্ত পূরণ কঠিন বলে মালিকদের সংগঠনগুলো আপত্তি জানায়।

২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত সংশোধনী নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী মেট্রোপলিটন এলাকায় জমির শর্ত কমে ০.০৩ একর (৩ শতাংশ) এবং পৌরসভায় ০.০৫ একর (৫ শতাংশ) হয়েছে; অন্যান্য এলাকায় ০.৩০ একরই রয়ে গেছে। জমির বিকল্প হিসেবে নিজস্ব বা ভাড়া করা অন্তত ৩,০০০ বর্গফুটের ভবন দেখানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত শব্দচয়ন মিলিয়ে নিতে সংশোধিত গেজেটটি নিজে পড়ে নিন।

ভাড়া ভবনে চললে বিদ্যালয়ের নামে কমপক্ষে ৩ বছরের জন্য ৩০০ টাকার (বা সরকার নির্ধারিত মূল্যের) নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত ভাড়ার চুক্তি থাকতে হবে। জমি-ভবনের পাশাপাশি আরও যা লাগবে:

  • পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ এবং যতদূর সম্ভব প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের আলাদা কক্ষ
  • বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত, আলাদা ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট
  • খেলাধুলার জায়গা, কক্ষ বা মাঠ এবং পর্যাপ্ত খেলার সামগ্রী
  • যতদূর সম্ভব শিশু-উপযোগী বইসহ একটি গ্রন্থাগার
  • জরুরি চিকিৎসার জন্য ফার্স্ট এইড বক্স এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা

শিক্ষক, ব্যবস্থাপনা কমিটি ও তহবিল নিয়ে কী নিয়ম?

প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য অন্তত ৬ জন শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে, এবং তাঁদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো হতে হবে। প্রতি শ্রেণিতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকের গড় অনুপাত ৩০:১; এর বেশি হলে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিয়ে আলাদা শাখা খুলতে হবে।

শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের আগে অন্তত একটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে, আর নিয়োগ বোর্ডে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মনোনীত একজন প্রতিনিধি থাকবেন। শিক্ষাবর্ষ শেষের ৩০ দিনের মধ্যে নিয়োগসংক্রান্ত বার্ষিক রিপোর্ট জেলা অফিসে জমা দিতে হয়। বেতন-ভাতার দায় পুরোপুরি বিদ্যালয়ের, সরকারের নয়।

ব্যবস্থাপনা কমিটিতে থাকবেন প্রধান শিক্ষক (সদস্যসচিব), একজন শিক্ষক প্রতিনিধি, দুজন অভিভাবক প্রতিনিধি এবং উদ্যোক্তা বা প্রতিষ্ঠাতাদের দুজন প্রতিনিধি। মূল বিধিমালায় নিকটতম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককেও সদস্য রাখা হয়েছিল; প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৫ সালের সংশোধনীতে এই সদস্যপদ বাদ গেছে এবং কমিটির অনুমোদনের দায়িত্ব উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে দেওয়া হয়েছে। কমিটির মেয়াদ ৩ বছর, প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি সভা করতে হয়।

প্রতিটি বিদ্যালয়ের একটি সাধারণ তহবিল ও একটি সংরক্ষিত তহবিল থাকতে হবে। টিউশন ফি ঠিক করবে ব্যবস্থাপনা কমিটি, উপজেলা/থানা/মহানগর শিক্ষা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে; ভর্তি, ভর্তি নবায়ন বা পুনঃভর্তির নামে অনুদান আদায় নিষিদ্ধ। প্রতি অর্থবছর শেষে অডিট করে রিপোর্ট নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হয়।

সংরক্ষিত তহবিল সঞ্চয়পত্র বা তফসিলি ব্যাংকে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে রাখতে হয়, যা কমিটির পূর্বানুমোদন ছাড়া তোলা যায় না। এর পরিমাণ:

  • মেট্রোপলিটন এলাকা: ১ লাখ টাকা
  • জেলা সদর: ৭৫ হাজার টাকা
  • উপজেলা সদর ও পৌরসভা: ৫০ হাজার টাকা
  • ইউনিয়ন পর্যায়: ২৫ হাজার টাকা
  • কোনো ব্যক্তির নামে নতুন বিদ্যালয়ের নামকরণ করলে: ৫ লাখ টাকা স্থায়ী আমানত (আগে থেকে চালু বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

আবেদনের আগে কাগজপত্রের চেকলিস্ট

ফরম “ক” ও ফরম “গ”-তে যে তথ্য চাওয়া হয়, সেগুলো আগে থেকে গুছিয়ে রাখলে সরেজমিন পরিদর্শনের দিন তাড়াহুড়ো করতে হয় না। অনেক আবেদন আটকে যায় ছোটখাটো ঘাটতির কারণে—যেমন ভাড়ার চুক্তি বিদ্যালয়ের নামে না হওয়া, বা ব্যাংক সনদে তহবিলের অঙ্ক না থাকা।

যা যা প্রস্তুত রাখবেন:

  • বিদ্যালয়ের নাম, ঠিকানা, ফোন/ই-মেইল, প্রতিষ্ঠার তারিখ ও পাঠদানের মাধ্যম (বাংলা/ইংরেজি)
  • আশপাশের নিকটতম বিদ্যালয়গুলোর নাম, দিক, দূরত্ব ও শিক্ষার্থী সংখ্যার ছক—সহকারী উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের প্রত্যয়নসহ
  • প্রতিষ্ঠাতা বা উদ্যোক্তার নাম এবং গঠনতন্ত্র থাকলে তার কপি
  • শ্রেণি ও শাখাভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা
  • শিক্ষক-কর্মচারীদের তালিকা: নাম, পদবি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, যোগদানের তারিখ, বয়স, স্থায়ী না অস্থায়ী
  • জমি ও ভবনের বিবরণ: নিজস্ব হলে দলিল ও নামজারি, ভাড়া হলে চুক্তিপত্র
  • ব্যবস্থাপনা কমিটির তালিকা, গঠনের তারিখ ও সভার কার্যবিবরণী
  • সাধারণ ও সংরক্ষিত তহবিলের পরিমাণ উল্লেখ করে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের সনদ
  • টয়লেট, নিরাপদ পানীয় জল ও খেলার সুবিধার বিবরণ
  • ফি জমার ট্রেজারি চালানের কপি

নিবন্ধনের পর: অভিভাবকের আস্থা ও ভর্তি বাড়াবেন কীভাবে?

নিবন্ধন সনদ শুধু আইনি কাগজ নয়, অভিভাবকের কাছে আস্থার প্রমাণও। ভর্তির মৌসুমে অনেক অভিভাবক এখন সরাসরি জিজ্ঞেস করেন, স্কুলটি নিবন্ধিত কি না। সনদ পাওয়ার পর নিবন্ধন নম্বরটি অফিসের নোটিশ বোর্ড, ভর্তি ফরম ও প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করতে পারেন।

অভিভাবকেরা এখন স্কুল খোঁজেন মোবাইলে। একটি গোছানো ওয়েবসাইটে টিউশন ফি, শিক্ষকদের পরিচিতি, ক্লাস রুটিন, বার্ষিক অনুষ্ঠানসূচি ও ভর্তির নিয়ম পরিষ্কারভাবে থাকলে ফোনে একই প্রশ্নের উত্তর বারবার দিতে হয় না। যেমন Eduminika-তে yourschool.eduminika.com ধরনের ঠিকানায় এসএসএলসহ মোবাইল-উপযোগী স্কুল ওয়েবসাইট বিনা খরচে খোলা যায়, অনলাইন প্রি-অ্যাডমিশন ফরম যুক্ত করা যায়; আর ব্যবস্থাপনা প্যানেলে শিক্ষার্থী-অভিভাবকের তথ্য, শিক্ষক-কর্মী ও শ্রেণি রুটিন রাখা যায়, যা নিবন্ধন ফরমের তালিকাগুলো প্রতিবছর হালনাগাদ করতেও কাজে দেয়।

যে পথই বেছে নিন, তথ্য যেন সত্য ও হালনাগাদ থাকে। বিধিমালা অনুযায়ী মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা শিক্ষার মান, পরিবেশ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক পরিদর্শন করতে পারেন; কাগজে এক রকম আর বাস্তবে আরেক রকম হলে সেটাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

ভর্তি মৌসুমের ডিজিটাল প্রস্তুতি দেখুন

সাধারণ জিজ্ঞাসা: কিন্ডারগার্টেন রেজিস্ট্রেশন

পুরোনো কিন্ডারগার্টেনকেও কি নতুন করে আবেদন করতে হবে? ২০১১ সালের বিধিমালায় দেওয়া অনুমতি বা নিবন্ধন নতুন বিধিমালার অধীনে দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে, আর অনিষ্পন্ন কাজ পুরোনো নিয়মেই নিষ্পত্তি হবে। তবে মেয়াদ শেষে নবায়ন হবে নতুন শর্তে, তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন। যাঁদের কোনো অনুমতিই নেই, তাঁদের পাঠদান অনুমতি দিয়েই শুরু করতে হবে।

নিবন্ধন না নিয়ে স্কুল চালালে কী হবে? মন্ত্রণালয় শুরু থেকেই বলেছে, যারা অনুমতি ও নিবন্ধনের আবেদন করবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দিষ্ট শাস্তির ধরন জানতে মূল অধ্যাদেশ ও সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা দেখুন; তবে ঝুঁকি না নিয়ে সময়মতো আবেদন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

একই প্রতিষ্ঠানের অন্য জায়গায় শাখা খোলা যাবে কি? হ্যাঁ, পাঠদান অনুমতি ও নিবন্ধনের একই পদ্ধতি মেনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের বাইরে এক বা একাধিক শাখা খোলা যায়।

সংক্ষেপে: আগে পাঠদান অনুমতি, এক বছরের মধ্যে নিবন্ধন, এরপর পাঁচ বছর পরপর নবায়ন। তারিখগুলো মিস না করা আর কাগজপত্র গুছিয়ে রাখাই কিন্ডারগার্টেন নিবন্ধনের আসল কৌশল।

আপনার প্রি-স্কুলের ওয়েবসাইট, ৫ মিনিটেই প্রস্তুত

Eduminika দিয়ে একটি বিনামূল্যের সাবডোমেইনে পেশাদার ওয়েবসাইট তৈরি করুন — খাবারের মেনু, ইভেন্ট ক্যালেন্ডার এবং আরও অনেক কিছু মিনিটেই পরিচালনা করুন।

বিনামূল্যে শুরু করুন

এগুলোও আপনার ভালো লাগতে পারে

ক্রেতার নির্দেশিকা৮ মিনিট পড়ুন

ডেকেয়ার ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কীভাবে বাছবেন: সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জিজ্ঞাসা করার ৭টি প্রশ্ন

কয়েক ডজন চাইল্ডকেয়ার প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, আর প্রত্যেকটিই দাবি করে যে এটি "সবকিছু করতে পারে।" সঠিক পছন্দ সবচেয়ে দীর্ঘ ফিচার তালিকা দিয়ে শুরু হয় না, বরং আপনার স্কুলের প্রকৃত প্রয়োজন দিয়ে শুরু হয়। প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার আগে জিজ্ঞাসা করার মতো ৭টি প্রশ্ন এখানে দেওয়া হলো।

নিবন্ধ পড়ুন
মার্কেটিং৭ মিনিট পড়ুন

কেন আপনার প্রিস্কুলের একটি পেশাদার ওয়েবসাইট প্রয়োজন

একজন অভিভাবক আজ যখন প্রিস্কুল খোঁজা শুরু করেন, তখন প্রথম কাজটি কী করেন? তারা টেলিফোন বই খোলেন না — তারা গুগল খোলেন। ওয়েবসাইট ছাড়া একটি প্রিস্কুল সেই সার্চে কেবল অস্তিত্বহীন।

নিবন্ধ পড়ুন
নির্দেশিকা৮ মিনিট পড়ুন

৫ মিনিটে একটি বিনামূল্যের প্রিস্কুল ওয়েবসাইট কীভাবে চালু করবেন: ধাপে ধাপে নির্দেশিকা

কোনো কোডিং দক্ষতা নেই, কোনো ডিজাইন বাজেট নেই, কোনো অজুহাত নেই। Eduminika-র সঙ্গে সাইন-আপ থেকে লাইভ হওয়া পর্যন্ত, ধাপে ধাপে ঠিক কী ঘটে তা এখানে দেওয়া হলো।

নিবন্ধ পড়ুন